ডেস্ক রিপোর্ট | বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট | 3 বার পঠিত

যুক্তরাষ্ট্রের ডাইভারসিটি ভিসা (ডিভি) লটারি কর্মসূচি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে ট্রাম্প প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির একটি ফেডারেল আদালত। ২০২৭ সালের এ কর্মসূচিতে আগামী ১ নভেম্বরের মধ্যে আবেদন গ্রহণ শুরু করতে বলা হয়েছে। তবে বাংলাদেশিরা এবার আবেদন করতে পারবেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। খবর ফোর্বসের।
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে নিবন্ধনের সময়সূচি প্রকাশ করতে হবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরকে। গত ১৪ অক্টোবর ক্যালিফোর্নিয়ার ফেডারেল আদালতের বিচারক জিনসুক ওহতা এ আদেশ দেন।
আদালতের নির্দেশনায় নিবন্ধন কার্যক্রম ৩০ দিন পর্যন্ত চালু রাখার কথা বলা হয়েছে। তবে আবেদন শুরুর সুনির্দিষ্ট সময়সূচি, অংশগ্রহণের যোগ্যতা ও আবেদনপ্রক্রিয়া সম্পর্কে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছেন আগ্রহীরা।
আদালতে মামলা
ডিভি লটারি পুনরায় চালুর দাবিতে মামলা করে রেড ঈগল ল নামের একটি আইন প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির অভিযোগ, নির্ধারিত সময়ে আবেদন গ্রহণ শুরু না করায় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর কার্যত কর্মসূচিটি স্থগিত রেখেছিল। এতে সম্ভাব্য আবেদনকারীদের পাশাপাশি লটারিসংক্রান্ত আইনি সহায়তা দেওয়া প্রতিষ্ঠানটিও আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে আদালতে দাবি করা হয়।
ডিভি লটারিতে কী সুযোগ রয়েছে?
সাধারণভাবে গ্রিন কার্ড লটারি নামে পরিচিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিবছর সর্বোচ্চ ৫৫ হাজার অভিবাসী ভিসা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে যেসব দেশ থেকে তুলনামূলকভাবে কম মানুষ অভিবাসন করেন, সেসব দেশের যোগ্য নাগরিকদের এ লটারিতে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।
কর্মভিত্তিক অভিবাসনের অনেক প্রক্রিয়ার বিপরীতে ডিভি লটারিতে অংশ নিতে সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রতিষ্ঠানের চাকরির প্রস্তাব বা নিয়োগকর্তার পৃষ্ঠপোষকতার প্রয়োজন হয় না। তবে লটারিতে নির্বাচিত হলেই গ্রিন কার্ড নিশ্চিত হয় না। আবেদনকারীকে নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণ, প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা এবং অভিবাসন ও নিরাপত্তা যাচাইয়ের ধাপগুলো সম্পন্ন করতে হয়।
আবেদনের যোগ্যতা কী?
সাধারণত আবেদনকারীর উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বা এর সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হয়। বিকল্প হিসেবে নির্ধারিত শর্ত পূরণকারী কোনো পেশায় কাজের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেও যোগ্যতা অর্জনের সুযোগ রয়েছে।
যেভাবে শুরু হয় ডিভি লটারি
১৯৯০ সালের ইমিগ্রেশন অ্যাক্টে স্বাক্ষরের মাধ্যমে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ ডিভি লটারি কর্মসূচির সূচনা করেন। ১৯৬৫ সালের পরবর্তী অভিবাসন ব্যবস্থায় নির্দিষ্ট কিছু দেশের নাগরিকদের ক্ষেত্রে তৈরি হওয়া বৈষম্য কমানো ছিল এ উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য।
পরিবারভিত্তিক বা পেশাগত দক্ষতার ভিত্তিতে অভিবাসনের সুযোগের বাইরে থাকা এবং যুক্তরাষ্ট্রে তুলনামূলকভাবে কম প্রতিনিধিত্বশীল জনগোষ্ঠীর জন্য দেশটিতে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করতে কর্মসূচিটি চালু করা হয়।
ডিভি লটারির ভিসা বরাদ্দের হিসাবের মধ্যে মূল আবেদনকারীর পাশাপাশি তাঁর স্বামী বা স্ত্রী এবং সন্তানদের জন্য বরাদ্দ ভিসাও অন্তর্ভুক্ত থাকে।
Posted ২:১৫ পিএম | বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল | Mr. Dulal
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের আরও খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।